নিউজরুম ৭১॥ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তাণ্ডব পূর্বপরিকল্পিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে কালেমা লেপনের জন্য বিএনপি, জামায়াত এবং হেফাজত মিলে পরিকল্পিতভাবে এই কাজটি করেছে।

আজ দুপুর ১২টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে এ কথা বলেন তিনি। 
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ক্ষয়ক্ষতির শিকার হওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যান।

হানিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে আমরা বলব যারা এই ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট তাদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দিয়ে প্রমাণ করতে হবে যে, স্বাধীন রাষ্ট্রে এই ধরণের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ করা যাবেনা। ১৯৭১ সালে যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল, একইভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধ্বংসাত্মক কার্যাকলাপ করা হয়েছে। এগুলো কোনোভাবেই বরদাশত করা হবেনা। এবার আশ্বস্ত করছি, এবার আমরা একটা কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেব।

তিনি বলেন, হেফাজতের যারা এখানে আছেন, তাদের কাছে তো গান পাউডার থাকার কথা না। এই গান পাউডারের ব্যবহার আমরা ১৯৭১ সালে দেখেছি। আর দেখেছি জামায়াতের বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে। ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে এখন আবার নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে গান পাউডারের ব্যবহার দেখে পরিষ্কার হয়ে গেছে, হেফাজতের কাঁধে ভর করেছে জামায়াত এবং বিএনপি। তারাই এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছে।


মাহবুব উল আলম হানিফ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি- বেসরকারি স্থাপনাগুলো ঘুরে দেখেন। এ সময় তা সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মঈন উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহসম্পাদক মো. আল আমিনুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *